২৪ জনের মৃত্যু, নীরব কেজরিওয়াল, তাহলে কি বিজেপি বি-টীম আপ?

পিএম নিউজ ৩৬৫: তিন দিন ধরে জ্বলছে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা। এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর ২৪ পেরিয়েছে।শুধুমাত্র ট্যুইট করে শান্তির বার্তা আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করা ছাড়া কেজরিওয়ালের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে নিরন্তর প্রশ্ন উঠেছে জনমানুসে। সকালে তেগ বাহাদুর হাসপাতলে আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন বটে কিন্তু দিল্লির হিংসা নিয়ে কোন দক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি তাকে। কেজরিওয়ালের এই ভূমিকায় সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস । কংগ্রেস বলছে, প্রকৃত নেতার মত কেজরিওয়ালের উচিত ছিল এলাকায় গিয়ে শান্তির আবেদন জানানো তা না করে তিনি রাজঘাটে গিয়ে ধর্ণায় বসেছেন। কেজির নিরাপত্তা নিয়ে খোদ প্রশ্ন তুলেছেন তার দলের বিধায়করা।

কেজরিওয়াল কেন্দ্রের প্রতি কেন এমন নরম মনোভাব দেখাচ্ছেন, তার ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না খোদ দলের নেতারাই। চলতি মাসেই বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন কেজরিওয়ালের দল। ভোটের আগে শাহীনবাগ নিয়ে তার নীরবতাকে বিজেপির ফাঁদে পা না দেওয়ার কৌশল বলে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু জিতে আসার পরে অমিত শাহ এর অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ তাদের ব্যর্থতা নিয়ে কেন তিনি আন্দোলনে নামতে পারছেন না তা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন উঠছে।

কেন তিনি দিল্লি পুলিশকে দিল্লি সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দাবিকে নতুন করে উস্কে দিচ্ছেন না। সেসব তো অনেক দূরের কথা দিল্লি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার নিয়েও কেন্দ্রীয় বিরুদ্ধে সামান্য সমালোচনার পথেও হাঁটতে দেখা দেখা যায় নি তাকে।

অতীতে আন্না হাজারে ও কেজরিওয়াল যখন কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন তখন সংঘ পরিবার তথা বিজেপির পরোক্ষ সমর্থন ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। অনেকেই বলছেন কেজরিওয়াল যা করছেন তা দেখে মনে হচ্ছে তিনি বিজেপি বি-টীমে পরিণত হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন পরিকল্পিতভাবেই নীরব রয়েছেন কেজরিওয়াল।