স্বাধীনতা সংগ্রামী আসফাকউল্লা খানের ১১৬ তম জন্মদিবস, মনে রাখেনি কেউ!

 

স্বাধীনতা সংগ্রামী আসফাকউল্লা খানের ১১৬ তম জন্মদিবস, মনে রাখেনি কেউ!

পি.এম.নিউজ ৩৬৫;ডিজিটাল ডেস্ক: পেরিয়ে গেল স্বাধীনতা সংগ্রামী আসফাকউল্লা খানের ১১৬ তম জন্মদিবস।

‘স্বাধীনতা’ তথা ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে মুক্তি আন্দোলনের বিপ্লবী ধারার সেনা আসফাকউল্লা – যাঁর দু’চোখে বিপ্লবের স্বপ্ন ঝরতো, আর কলমের ডগায় উর্দু শায়েরী।

ভগৎ সিং, সুখদেব, রাজগুরু, রামপ্রসাদ বিসমিলের মতোই আসফাকউল্লার লড়াইটা শুধু বিদেশী শাসকের বিরুদ্ধে নয়, ছিল সামগ্রিক স্বাধীনতার জন্য।

দেশি-বিদেশী, রঙ-বেরঙের শাসকের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার আর দুনিয়াজুড়ে মালিকরাজের অবসান ঘটাবার স্বপ্নের আভাস পাওয়া যায় তাঁদের ক্রান্তিকারী উদ্যমে। তাই স্বাধীনতার লড়াইয়ে (বিদেশী শাসকের হাত থেকে দেশী শাসকের হাতে) ক্ষমতা-হস্তান্তরের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে আসফাকউল্লারা খোঁজ করেছেন সেই পথের যা শাসকের সাথে চরম সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে চলে।

আজ সমগ্র দেশজুড়ে যখন ‘দেশপ্রেম’ এর অন্য মানে তৈরি করার খেলা চলছে, ধর্মের নামে মানুষকে ভাগ করার সরকারী পরিকল্পনা যখন রাষ্ট্রের। ‘সেকুলার’ বিশেষণের শেষ আব্রুটুকুও রাখছে না, সাম্প্রদায়িকতার আগুন জ্বালাচ্ছে ধর্মীয় মৌলবাদীরা। নৈহাটি, চন্দননগর থেকে হাজিনগর, চাঁচোল, তখন এই তিমিরকে বিনাশ করার পাল্টা স্বপ্নটা দেখান ভগৎ সিং থেকে আসফাকউল্লা খানরা – যাঁদের ‘দেশপ্রেম’ দেশের গণ্ডি মানেনা, যাঁদের ‘স্বাধীনতা’ শাসকের রঙে ভোলে না।

বিপ্লবীর জন্ম-মৃত্যু আছে, বিপ্লবী প্রতিস্পর্ধা চিরজাগরূক।