স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে ঘৃণিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি !

পাঠকের কলম: পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন হিটলার। এ ব্যাপারে সবিস্তার আলোচনার অবকাশ পাবনা। কেবলমাত্র আলোচিত বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা রেখে যতোটুকু প্রয়োজন তা তুলে ধরার প্রায়াস চালাব। আজ আমার আলোচনার বিষয় হল “স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে ঘৃণিত রাষ্ট্রনায়ক”।

স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে ঘৃণিত রাষ্ট্রনায়ক নরেন্দ্র ভাই দামোদর মোদি, এটি অত্যুক্তি নয়। সাম্প্রদায়িক বিভাজনে সুদক্ষ,খুনি,ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসকারী, হিংসাপরায়ণ, নারীর ইজ্জত লুণ্ঠনকারী, গণপিটুনিতে হত্যাকারী,বাকস্বাধীনতা হরণকারি,ধূর্ত,ধোকাবাজ,দেশের অর্থ বিদেশে পাচার কারি,পুঁজিবাদীদের দালালি এহেন কার্যকলাপে ভদ্রলোকের জুড়ি নেই। মি:মোদির কোন উপাধি দেওয়ার দায়ীত্ব যদি আমাকে দেওয়া হতো হয়তো আমি এনার উপাধি দিতাম “নর রাক্ষস ডাইনি মোদি”। ঐতিহাসিক ঘৃণিত ব্যাক্তি হিটলারের চরিত্র ও আদর্শের সঙ্গে অনেকাংশে মিল আছে। এবিষয়ে আলোচনার পূর্বে নরেন্দ্রমোদির রাজনৈতিক উত্থানের সংক্ষিপ্ত আলোক পাত করতে চাই।

নরেন্দ্রমোদির রাজনৈতিক উত্থান :
————————————————–
নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক উত্থানের বয়স ‘৮০-র দশকে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মান ‘রথযাত্রা’, ৮০-র দশকেদশকের মাঝামাঝি সময়ে শাহাবানু মামলাকে নিয়ে সাম্প্রদায়িক আলোড়ন, উত্তরপ্রদেশে ভোটারের ধর্মীয় মেরুকরণ, বাবরি মসজিদ ধ্বংস-এরকম প্রতিটি ঘটনা ও ঘটনার সঙ্গে গুজরাটি জাতিসত্তা আর ধর্মীয় সত্তার মিশ্রণ নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক উত্থান একাকার হয়ে আছে।

সংবিধানের শত্রু মোদি:
——————————–
মি: মোদি মহত্মাগান্ধি, শ্রী রামকৃষ্ণ পরামহংসদেব, স্বামী বিবেকানন্দ,নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমূখ গণের স্বপ্নের ভারত কে স্বীকার নাকরে, তার মাথায় পদাঘাত করেছেন। বি.আর.আম্বেদকরের মতো মহান ব্যাক্তিত্বের মর্যাদা না দিয়ে বার বার অপমান করেছেন। রেহাই পেলনা ভারতীয় সংবিধান! এই হায়নাদের নখর থাবায় ক্ষত বিক্ষত ভারতীয় সংবিধান! এর ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রে কলঙ্ক লেপন করেই চলেছে। বাক স্বধীনতায় হস্তক্ষেপ করে একনায়কত্ব শ্বসন প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছে। মোদি সরকারকে ভুললে চলবেনা যে সংবিধানকে রক্ষা করতে মধ্যমপন্থি হিনদু,খ্রিস্টান,জৈন,বৌদ্ধ,মুসলিম,কমিউনিস্ট,নির্যাতিত 70% ” যবন”জনগন সংগঠিত হলে কিন্তু ভয়াল পরিস্থিতি তৈরী হবে যা সামলনোর ক্ষমতা আপনার হবেনা।সুতারাং সাধু সাবধান হয়ে যান।

হিটলার ও মোদির মধ্যে সাদৃশ্য:
……………………………………..
(1) হিটলার লেখা-পড়ায় মনোযোগী ছিলননা পক্ষান্তরে মোদি ও লেখা পড়ায় মনোযোগী ছিলেননা।
(2) হিটলার মজুরির কাজ করেছেন। মোদি চায়ের ভাঁড় ও কেটলি নিয়ে স্টেশনে ঘচা বিক্রি করেছেন
(3) হিটলার ছিল উগ্র জাতীয়তাবাদী মোদি হল উগ্র্ হিন্দুত্ববাদী।
(4) পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতার নিকৃষ্ট রেকর্ড ছাপিয়ে হিটলার নং ওয়ান।
স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে নৃশংসতার নিকৃষ্ট ইতিহাস ছাপিয়ে মোদি নং ওয়ান
(5) পৃথিবিতে ইহুদি বিদ্বেষ ছড়ানোয় ও নিধনে হিটলারের জুড়ি নেই।
মুসলিম বিদ্বেষ ও নিধন পরিকল্পনায় মোদির জুড়ি নেই।
(6) হিটলার প্রথম বিশ্বযুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক হয়ে আহত সেনাদের সেবা করেন।
মোদি 1965 সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক হয়ে আহত সেনাদের সেবা করেন।
(7) হিটলার ছিলেন উগ্ররাজনৈতিক ধর্মান্ধ,পক্ষান্তরে মোদি ও হলেন উগ্র রাজনৈতিক ধর্মান্ধ।
(8)হিটলার ইহুদী বিদ্বেষী ছিলেন এবং ষাট লক্ষ ইহুদি নিধন করেন
মোদি হলেন “যবন” তথা S.C, S.T, O.B.C, মুসলিম, খ্রিস্টান,কমিউনিস্ট ও গোরুর মাংস ভক্ষণকারী জাতি বিদ্বেষী এবং বাবরি ধ্বংস,নারী ও শিশু ধর্ষণ কারি, অগ্নিসংযোগ সহ লক্ষ লক্ষ মুসলিম হত্যা করে।
(9) নাগরিকদের দুটি ভাগ করেন,প্রথমটি জেন্টিল তথা খাঁটি জার্মানি আর্য ও দ্বিতীয়টি “জু” যারা ছিল ইহুদি এদের ডি ভোটার করা হয়েছিল নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছিল।
নাগরিকদের দুটি ভাগ করেছে প্রথমটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী হিন্দু দ্বিতীয়টি “যবন” তথা এস. সি,এস.টি,মূল নিবাসী মুসলিম,খ্রিস্টান,শান্তি প্রিয় হিন্দু,জাতি, ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে গো মাংস ভক্ষণকারি,
এদের মানুষ বলে স্বিকার করেনা। ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে দাঙ্গা লাগানো, পিটিয়ে হত্যা,
NRC নামে ভটাধীকার কেড়ে নিয়ে হিটলারি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার প্রয়াস চালীয়ে যাচ্ছে।
(10) হিটলার ছিল বৈরাগী পক্ষান্তরে মোদি ও হলেন বৈরাগী।

উক্ত আলোচনার ভিত্তিতে মোদি ও হিটলারের মধ্যে ব্যাপক সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া গেল। যে গুণাবলীর কারণে হিটলার পৃথিবী কুখ্যাত রাষ্ট্র নেতা হল একই কারণে মোদি দেশপ্রেমীক কেন হবে?আর দেবতাই বা কেন হবে? রাষ্টোদ্রোহী কেন হবেনা?মানবতার দুশমনই বা কেন হবেনা? সুতারাং স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে 70%” যবন” ভারতীয়দের নিকট ঘৃণিত প্রধান মনিটরিং।

বুদ্ধিজীবী গণ জেগে উঠুন:
————————————
স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার সর্বস্তরের জনগণের আছে, তাই আমাদের গর্জে উঠতে হবে। হিটলারি আদর্শে উজ্জিবিত উগ্র ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী মোদির উত্থানের দায় হতে ভারতের বুদ্ধিজীবী,রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ জনগণ ও কিন্তু এড়িয়ে যেতে পারে না।‘মোদি’র মতো নেতাকে দিল্লীর মসনদে বসিয়ে ভারতীয়দের কী কী ক্ষতি হল সেটা তারা ভবিষ্যতে হাড়ে হাড়ে টের পাবে। জার্মান কে যেমন হিটলার ধ্বংস করে আত্মহত্যা করেছিল মোদিও তেমনটি ভারতের ক্ষেত্রে করে ছাড়বে। মোদির মতো পাষণ্ড, রক্ত পিপাসু,পৈশাচিক নেতা আত্মহত্যা করলে ভারত বাসির কিচ্ছু এসে যায় না আমাদের মাতৃভূমি ভারত ভূখণ্ড রক্ষার দায়ীত্ব আমাদের ” যবনদেরই” নিতে হবে।

পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন হিটলার। এ ব্যাপারে সবিস্তার আলোচনার অবকাশ নেই। কেবলমাত্র আলোচিত বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা রেখে যতোটুকু প্রয়োজন তা তুলে ধরার প্রায়াস চালাব। আজ আমার আলোচনার বিষয় হল “স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে ঘৃণিত রাষ্ট্রনায়ক”।

স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে ঘৃণিত রাষ্ট্রনায়ক নরেন্দ্র ভাই দামোদর মোদি, এটি অত্যুক্তি নয়। সাম্প্রদায়িক বিভাজনে সুদক্ষ,খুনি,ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসকারী, হিংসাপরায়ণ, নারীর ইজ্জত লুণ্ঠনকারী, গণপিটুনিতে হত্যাকারী,বাকস্বাধীনতা হরণকারি,ধূর্ত,ধোকাবাজ,দেশের অর্থ বিদেশে পাচার কারি,পুঁজিবাদীদের দালালি এহেন কার্যকলাপে ভদ্রলোকের জুড়ি নেই। মি:মোদির কোন উপাধি দেওয়ার দায়ীত্ব যদি আমাকে দেওয়া হতো হয়তো আমি এনার উপাধি দিতাম “নর রাক্ষস ডাইনি মোদি”। ঐতিহাসিক ঘৃণিত ব্যাক্তি হিটলারের চরিত্র ও আদর্শের সঙ্গে অনেকাংশে মিল আছে। এবিষয়ে আলোচনার পূর্বে নরেন্দ্রমোদির রাজনৈতিক উত্থানের সংক্ষিপ্ত আলোক পাত করতে চাই।

নরেন্দ্রমোদির রাজনৈতিক উত্থান :
————————————————–
নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক উত্থানের বয়স ‘৮০-র দশকে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মান ‘রথযাত্রা’, ৮০-র দশকের মাঝামাঝি সময়ে শাহাবানু মামলাকে নিয়ে সাম্প্রদায়িক আলোড়ন, উত্তরপ্রদেশে ভোটারের ধর্মীয় মেরুকরণ, বাবরি মসজিদ ধ্বংস-এরকম প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে গুজরাটি জাতিসত্তা আর ধর্মীয় সত্তার মিশ্রণে নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক উত্থান একাকার হয়ে আছে।

সংবিধানের শত্রু মোদি:
——————————–
মি: মোদি মহত্মাগান্ধি, শ্রী রামকৃষ্ণ পরামহংসদেব, স্বামী বিবেকানন্দ,নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমূখ ব্যক্তিত্বের স্বপ্নের ভারত কে স্বীকার নাকরে, তাদের মাথায় পদাঘাত করেছেন। বি.আর.আম্বেদকরের মতো মহান ব্যাক্তিত্বের মর্যাদা না দিয়ে বার বার অপমান করেছেন। রেহাই পেলনা ভারতীয় সংবিধান! এই হায়নাদের থাবায় ক্ষত বিক্ষত ভারতীয় সংবিধান! বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে একনায়কত্ব শ্বাসন প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছেন। মোদি সরকারকে ভুললে চলবেনা যে সংবিধানকে রক্ষা করতে মধ্যমপন্থি হিনদু,খ্রিস্টান,জৈন,বৌদ্ধ,মুসলিম,কমিউনিস্ট,নির্যাতিত ৭০% ” যবন” জনগন সংগঠিত হলে কিন্তু ভয়াল পরিস্থিতি তৈরী হবে যা সামলনোর ক্ষমতা আপনার হবেনা।

হিটলার ও মোদির মধ্যে সাদৃশ্য:

১) হিটলার লেখা-পড়ায় মনোযোগী ছিলননা, মোদিও লেখা পড়ায় মনোযোগী ছিলেননা।
২) হিটলার মজুরির কাজ করেছেন, মোদি চায়ের ভাঁড় ও কেটলি নিয়ে স্টেশনে চা বিক্রি করেছেন।
৩) হিটলার ছিল উগ্র জাতীয়তাবাদী, মোদি হল উগ্র হিন্দুত্ববাদী।
৪) পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতার নিকৃষ্ট রেকর্ড ছাপিয়ে হিটলার সবার উপরে,
স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে নৃশংসতার নিকৃষ্ট ইতিহাস ছাপিয়ে মোদি এক নম্বরে।
৫) পৃথিবিতে ইহুদি বিদ্বেষ ও নিধনে হিটলারের জুড়ি নেই, মুসলিম বিদ্বেষ ও নিধন পরিকল্পনায় মোদির জুড়ি নেই।
৬) হিটলার প্রথম বিশ্বযুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক হয়ে আহত সেনাদের সেবা করেন,মোদি ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক হয়ে আহত সেনাদের সেবা করেন।
৭) হিটলার ছিলেন উগ্ররাজনৈতিক ধর্মান্ধ,পক্ষান্তরে মোদি ও হলেন উগ্র রাজনৈতিক ধর্মান্ধ।
৮) হিটলার ইহুদী বিদ্বেষী ছিলেন এবং ষাট লক্ষ ইহুদি নিধন করেন,মোদি হলেন “যবন” তথা এস.সি, এস.টি, ও.বি.সি, মুসলিম, খ্রিস্টান,কমিউনিস্ট ও গোরুর মাংস ভক্ষণকারী জাতি বিদ্বেষী এবং বাবরি ধ্বংস,নারী ও শিশু ধর্ষণ কারি, অগ্নিসংযোগ সহ লক্ষ লক্ষ মুসলিম হত্যা কারী।
৯) হিটলার নাগরিকদের দুটি ভাগ করেন। প্রথমটি জেন্টিল তথা খাঁটি জার্মানি আর্য ও দ্বিতীয়টি “জু” যারা ছিল ইহুদি এদের ডি ভোটার করা হয়েছিল নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়েছিলেন, মোদি নাগরিকদের দুটি ভাগ করেছে প্রথমটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী হিন্দু , দ্বিতীয়টি “যবন” তথা এস.সি, এস.টি, মূল নিবাসী মুসলিম, খ্রিস্টান, শান্তি প্রিয় হিন্দু,জাতি, ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে গো মাংস ভক্ষণকারি। এদেরকে মানুষ বলে স্বিকার করেনা।
ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে দাঙ্গা লাগানো, পিটিয়ে হত্যা,NRC নামে ভোটাধীকার কেড়ে নিয়ে হিটলারি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।
১০) হিটলার ছিল বৈরাগী পক্ষান্তরে মোদি ও হলেন বৈরাগী।

উক্ত আলোচনার ভিত্তিতে মোদি ও হিটলারের মধ্যে ব্যাপক সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া গেল। যে গুণাবলীর কারণে হিটলার পৃথিবী কুখ্যাত রাষ্ট্র নেতা হল একই কারণে মোদি দেশপ্রেমীক কেন হবে?আর দেবতাই বা কেন হবে? রাষ্টোদ্রোহী কেন হবেনা?মানবতার দুশমনই বা কেন হবেনা? সুতারাং স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে ৭০%” যবন” ভারতীয়দের নিকট ঘৃণিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।