জেনে নিন ওয়াইসির ইতিবৃত্ত

পিএম নিউজ ডেস্ক:আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ভারতবর্ষের একজন প্রখ্যাত মুসলিম রাজনীতিবিদ। জন্ম ১৩ মে ১৯৬৯। তিনি সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন দলের প্রেসিডেন্ট। হায়দ্রাবাদ থেকে তিনি তিনবার আইনসভার নিম্নকক্ষ লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৫তম লোকসভায় শ্রেষ্ঠ কৃতিত্বের জন্য ২০১৪ সালে তিনি সংসদ রত্ন পুরষ্কার লাভ করেন।

 

হায়দ্রাবাদ ভারত সংসদ সদস্য (২০০৯–২০১৪)

হায়দারাবাদ ভারত সংসদ সদস্য (২০০৪–২০০৯)

অন্ধ্রপ্রদেশ আইনসভা পরিষদের সদস্য (১৯৯৪–১৯৯৯)

অন্ধ্রপ্রদেশ আইনসভা পরিষদের সদস্য (১৯৯৯–২০০৩)

 

শিক্ষাঃ ব্যাচেলর অব আর্টস। ব্যাচেলর অব ল (লন্ডন)

ব্যারিস্টার-এট-ল (লিঙ্কন’স ইন) প্রাক্তন শিক্ষার্থী হায়দ্রাবাদ পাবলিক স্কুল (উসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়) নিজাম কলেজ। মানুষের নিকট তিনি নাকিব-ই-মিল্লাত, কায়েদ, আসাদ বাবা, আসাদ ভাই নামে সমধিক পরিচিত।

ভারতীয় জনতা পার্টির একটি নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতার সময় উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, বিজেপি যদি তেলেঙ্গনায় ক্ষমতায় আসে, তবে নিজাম যেমন হায়দ্রাবাদ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল, তেমনি তেলেঙ্গানা ছেড়ে পালাতে হবে ওয়াইসিকেও।

 

যোগীর এই চ্যালেঞ্জের জবাব দিয়েছেন আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি। রবিবার রাতে একটি নির্বাচনী সমাবেশে হায়দ্রাবাদের এই সাংসদ বলেন, “ভারত আমার পিতৃভূমি। কেউ আমাকে এখান থেকে পালাতে বাধ্য করতে পারে না। আমার ধর্মীয় বিশ্বাস যে, নবী আদম আ. যখন জান্নাত থেকে পৃথিবীতে নেমে এসেছিলেন, তখন তিনি ভারতে এসেছিলেন। এদিক থেকে ভারত আমার বাবার দেশ এবং কেউ আমাকে পালাতে বাধ্য করতে পারে না।” ওয়াইসি বলেন, তিনি এই ধরনের হুমকি ও প্রচারণায় ভীত নন। এটি শুধুমাত্র যোগীর বক্তব্য, কিন্তু ভাষা ও মানসিকতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

 

তিনি আরও বলেন, “উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ইতিহাসের অজ্ঞাত ছিলেন। নিজাম হায়দাবাদ থেকে পালিয়ে যাননি। নিজাম মীর ওসমান আলী খান হায়দ্রাবাদ থেকে পালিয়ে যাননি। তাঁকে রাজপ্রধান করা হয়েছিল এবং যখন চীনের সাথে যুদ্ধ হয়েছিল, তখন তিনি তাঁর সোনা ভারতকে উপহার দিয়েছিলেন।

 

সংগ্রামী এ মহান নেতা জনসভায় বলেন, “আমরা পালিয়ে যাবো না। আমাদের ১০০০ প্রজন্ম এখানে বাস করবে।”

 

যোগীকে প্রধানমন্ত্রীর মতো কথা বলা উচিত এবং তিনি যে অফিসে রয়েছেন তার মর্যাদা বজায় রাখতে হবে। তিনি উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তাই প্রথমে তাঁর নির্বাচনী এলাকার যত্ন নিতে পরামর্শ দেন যেখানে ১৫০টি শিশু প্রতি বছর এনসেফালাইটিসের মৃত্যু হয়।