মহরম উপলক্ষ্যে হজরত সুমাইয়া গার্লস মাদ্রাসা পরিদর্শনে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ

নিজস্ব সংবাদদাতা, পিএম নিউজ, উত্তর ২৪ পরগণা: মঙ্গলবার মুহাররম উপলক্ষ্যে বারাসাতের বড়া মুনসুর পুর হজরত সুমাইয়া গার্লস মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মাদ্রাসার ছাত্রীদের পড়াশোনা ও খাওয়ার দাওয়ার মান সম্পর্কে এদিন তারা খোঁজ নেন। ২০১৭ সালে হাফেজ মাওলানা নাসিরুদ্দিন সাহেব গড়ে তোলেন হজরত সুমাইয়া গার্লস মাদ্রাসা। এখানে ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার মেল বন্ধনে সমান্তরালভাবে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন মাদ্রাসার কর্নধর নাসিরুদ্দিন সাহেব।

পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের সিলেবাস অনুকরণে বেশ কিছু ছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষায় সুনামের সাথে কৃতিত্ব অর্জন করেছে বলেও জানা যায়। প্রথমে ১৫ জন ছাত্রী নিয়ে শুরু করলেও আজ তা ৭৫ জন ছাত্রী সংখ্যায় দাঁড়িয়েছে বলে মাদ্রাসা সূত্রে খবর। ১৩ জন এমএ ও বিএড পাশ শিক্ষিকাও বর্তমানে শিক্ষাদানে রত। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক নাসিরুদ্দিন সাহেব বলেন “আমাদের মাদ্রাসায় দরিদ্র ঘরের ছাত্রী সংখ্যা বেশি। তাদের সম্পুর্ণ বিনামুল্যে অভিজ্ঞ শিক্ষিকা দ্বারা আমরা পড়িয়ে থাকি। আমার উদ্দেশ্য, এখান থেকে ছাত্রীরা কেউ মাওলানা পাশ করে বহুমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাবে, কেউ ডাক্তার হবে, কেউ মাস্টার হবে, কেউ ইঞ্জিনিয়ার হয়ে ভালো মানুষ হয়ে সমাজের সেবা করবে।”

সাংবাদিকরা তাকে মাদ্রাসার বর্তমান আশু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন “মাদ্রাসার বিল্ডিং, পানীয় জলের সুব্যবস্থা, লাইব্রেরী, খেলার মাঠ ইত্যাদি খুবই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।” এদিন পরিদর্শনের তিন সংগঠনের দল উক্ত মাদ্রাসার পাশে থাকবেন বলে আশ্বাসও দেন কোন পদ্ধতি কাগজ পত্র নিয়ে কথায় জমা করলে রাজ্য সরকারের এমএসডিপি প্রকল্পের সাহায্য ও সংখ্যালঘু বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা পাওয়া যায় তারজন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করানোর চেষ্টাও করবেন বলে তারা প্রতিশ্রুতি দেন। এদিনের প্রতিনিধি দলে ছিলেন জেএনএম কলেজের অধ্যাপক ও নজরুল চর্চা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. সেখ কামাল উদ্দিন, সিরাত সোস্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড এডুকেশনাল ট্রাস্টের কর্নধর আবু সিদ্দিক খান, বেঙ্গল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির রাজ্য সভাপতি আমিনুল ইসলাম প্রমুখগণ।