তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়লো ভারত

পিএম নিউজ ডেস্ক: তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল ভারত। বিশ্বকাপে ভারতের স্বপ্ন শেষ হল সেমিফাইনালে। প্রস্তুতি ম্যাচে এই নিউজিল্যান্ডের কাছেই হারতে হয়েছিল ভারতকে। বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় গ্রুপ লিগের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হতে হয়নি ভারতকে। দেখা হল সেমিফাইনালে। সেখানেই ১৮ রানে হারতে হল ভারতকে।
ধোনি মাঠে নামার পরেই ড্রেসিংরুমে হঠাৎ হাত নেড়ে কথা বলতে শুরু করলেন বিরাট কোহলি। রবি শাস্ত্রীকে বেশ উত্তেজিত হয়েই কিছু বলছিলেন তিনি। কী বলছিলেন?‌ শোনা যায়নি। তবে ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে যদি কোহলি যদি কিছু বলে থাকেন, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দল নির্বাচন নিয়েও কোচ অধিনায়কের এই উত্তপ্ত বাক্যালাপ হতেই পারে। কারণ, এদিন এত করেও শেষ পর্যন্ত কাজের কাজ করতে পারেনি ভারত। ধোনি আর জাদেজা যদি শেষের দিকে খেলা না ধরতেন, তাহলে লজ্জাজনক পরাজয় হত ভারতের। তবু শেষ পর্যন্ত লড়লেন ধোনি আর জাদেজা। লড়াই করে অনেকদূর নিয়ে গেেলন। কিন্তু কেউ তো জাদুকর নন। তাই জাদেজার ৭৭ আর ধোনির ৫০ কাজে এল না। গাপ্টিলের ঠিকানা লেখা থ্রো যদি এদিন উইকেটে না লাগত, তাহলে ধোনি হয়ত পাল্টে দিতেন ছবিটা। পারলেন না, কারণ সম্রাটরাও কখনও কখনও পরাস্ত হন। দায়িত্বজ্ঞানহীন টপ অর্ডারের জন্য। গতকাল ব্যাট করেছিল নিউজিল্যান্ড, বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে সংরক্ষিত দিনে খেলতে নামল ভারত। চোখের নিমেশে ফিরে গেলেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, কে এল রাহুল। স্কোরবোর্ডে ভারত তখন পাঁচ রানে তিন উইকেট। তারপর একে একে নিয়মিত ব্যবধানে ফিরে গেলেন ঋষভ পন্থ, হার্দিক পান্ডিয়া, দিনেশ কার্তিকরা। কাউকে দেখে মনে হল না, সামান্যতম দািয়ত্বজ্ঞান কারোর আছে।
গতকাল ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ টসটা জিতছিলেন কিউয়ি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তবে বুমরা, ভুবির দাপটে সুবিধা নিতে পারেননি!‌ শুরু থেকেই এমন চাপে রাখলেন, যে গাপটিল (‌১)‌ প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো বিরাটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন। তখন কিউয়িদের রান উঠছিল কচ্ছপের গতিতে। হেনরি নিকোলাস ও কেন উইলিয়ামসন ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নিলেন বটে। তবে রানের গতি বাড়াতে পারেননি। নিকোলাস (‌২৮)‌ বোল্ড হলেন জাদেজার বলে। শ্রীলঙ্কা ম্যাচের পর এদিনও বল হাতে সফল জাদেজা। মাত্র ৩৪ রান দিলেন নিজের ১০ ওভারে। সঙ্গে একটা উইকেট। সামির অভাব বুঝতে দেননি। সঙ্গে ফিল্ডিং তো থাকছেই। অন্তত ১০ রান বাঁচিয়েছেন।
এদিনের ম্যাচে একটাই পরিবর্তন করল ভারত। কুলদীপের জায়গায় ফেরানো হল চাহালকে। কেন উইলিয়ামসনকে (‌৬৭)‌ ফেরালেও সবচেয়ে বেশি রান তিনিই দিলেন। ১০ ওভারে ৬৩ মোটেই চাহাল সুলভ নয়।
অধিনায়ক ফেরার পর দায়িত্ব নিলেন রস টেলর। বিক্ষিপ্তভাবে আক্রমণ করলেও ভারতীয়দের চাপে ফেলতে পারেনি কিউয়িরা। যখন বৃষ্টি নামে, তখন ৪৬.‌১ ওভারে কিউয়িদের রান ২১১/‌৫। রস টেলরের (‌৬৭)‌ সঙ্গে খেলছেন টম ল্যাথাম। পরের দিন ব্যাট করতে নেমে কিউয়িদের ইনিংস শেষ হয় ২৩৯ রানে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল ভারত। বিশ্বকাপে ভারতের স্বপ্ন শেষ হল সেমিফাইনালে। প্রস্তুতি ম্যাচে এই নিউজিল্যান্ডের কাছেই হারতে হয়েছিল ভারতকে। বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় গ্রুপ লিগের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হতে হয়নি ভারতকে। দেখা হল সেমিফাইনালে। সেখানেই ১৮ রানে হারতে হল ভারতকে।
ধোনি মাঠে নামার পরেই ড্রেসিংরুমে হঠাৎ হাত নেড়ে কথা বলতে শুরু করলেন বিরাট কোহলি। রবি শাস্ত্রীকে বেশ উত্তেজিত হয়েই কিছু বলছিলেন তিনি। কী বলছিলেন?‌ শোনা যায়নি। তবে ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে যদি কোহলি যদি কিছু বলে থাকেন, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দল নির্বাচন নিয়েও কোচ অধিনায়কের এই উত্তপ্ত বাক্যালাপ হতেই পারে। কারণ, এদিন এত করেও শেষ পর্যন্ত কাজের কাজ করতে পারেনি ভারত। ধোনি আর জাদেজা যদি শেষের দিকে খেলা না ধরতেন, তাহলে লজ্জাজনক পরাজয় হত ভারতের। তবু শেষ পর্যন্ত লড়লেন ধোনি আর জাদেজা। লড়াই করে অনেকদূর নিয়ে গেেলন। কিন্তু কেউ তো জাদুকর নন। তাই জাদেজার ৭৭ আর ধোনির ৫০ কাজে এল না। গাপ্টিলের ঠিকানা লেখা থ্রো যদি এদিন উইকেটে না লাগত, তাহলে ধোনি হয়ত পাল্টে দিতেন ছবিটা। পারলেন না, কারণ সম্রাটরাও কখনও কখনও পরাস্ত হন। দায়িত্বজ্ঞানহীন টপ অর্ডারের জন্য। গতকাল ব্যাট করেছিল নিউজিল্যান্ড, বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে সংরক্ষিত দিনে খেলতে নামল ভারত। চোখের নিমেশে ফিরে গেলেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, কে এল রাহুল। স্কোরবোর্ডে ভারত তখন পাঁচ রানে তিন উইকেট। তারপর একে একে নিয়মিত ব্যবধানে ফিরে গেলেন ঋষভ পন্থ, হার্দিক পান্ডিয়া, দিনেশ কার্তিকরা। কাউকে দেখে মনে হল না, সামান্যতম দািয়ত্বজ্ঞান কারোর আছে।
গতকাল ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ টসটা জিতছিলেন কিউয়ি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তবে বুমরা, ভুবির দাপটে সুবিধা নিতে পারেননি!‌ শুরু থেকেই এমন চাপে রাখলেন, যে গাপটিল (‌১)‌ প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো বিরাটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন। তখন কিউয়িদের রান উঠছিল কচ্ছপের গতিতে। হেনরি নিকোলাস ও কেন উইলিয়ামসন ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নিলেন বটে। তবে রানের গতি বাড়াতে পারেননি। নিকোলাস (‌২৮)‌ বোল্ড হলেন জাদেজার বলে। শ্রীলঙ্কা ম্যাচের পর এদিনও বল হাতে সফল জাদেজা। মাত্র ৩৪ রান দিলেন নিজের ১০ ওভারে। সঙ্গে একটা উইকেট। সামির অভাব বুঝতে দেননি। সঙ্গে ফিল্ডিং তো থাকছেই। অন্তত ১০ রান বাঁচিয়েছেন।
এদিনের ম্যাচে একটাই পরিবর্তন করল ভারত। কুলদীপের জায়গায় ফেরানো হল চাহালকে। কেন উইলিয়ামসনকে (‌৬৭)‌ ফেরালেও সবচেয়ে বেশি রান তিনিই দিলেন। ১০ ওভারে ৬৩ মোটেই চাহাল সুলভ নয়।
অধিনায়ক ফেরার পর দায়িত্ব নিলেন রস টেলর। বিক্ষিপ্তভাবে আক্রমণ করলেও ভারতীয়দের চাপে ফেলতে পারেনি কিউয়িরা। যখন বৃষ্টি নামে, তখন ৪৬.‌১ ওভারে কিউয়িদের রান ২১১/‌৫। রস টেলরের (‌৬৭)‌ সঙ্গে খেলছেন টম ল্যাথাম। পরের দিন ব্যাট করতে নেমে কিউয়িদের ইনিংস শেষ হয় ২৩৯ রানে।