মুকুল শিশু অ্যাকাডেমির ১৫তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেগঙ্গার মির্জানগরে

পিএম নিউজ ৩৬৫: সিরাত সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড এডুকেশনাল ট্রাস্টের রাজ্য সম্পাদক ও বিশিষ্ট শিক্ষক, সিরাত নলেজ অ্যাকাডেমির সম্পাদক আবু সিদ্দিক খান মুকুল শিশু অ্যাকাডেমির প্রধান উপদেষ্টা ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে কতৃপক্ষকে ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ছাত্রছাত্রীদের প্রধান কাজ হল পড়াশুনা করা । পড়াশুনাকে তপস্যার মতো করেই করা দরকার । তবে পড়াশুনার সাথে সাথে শরীরচর্চা ও খেলাধূলার বিশেষ প্রয়োজন আছে । কারণ অসমর্থ ও দুর্বল শরীরে কখনো ভালো পড়াশুনা হয় না।এই প্রসঙ্গে তরুণদের উদ্দেশ্যে স্বামীজী বলেছেন “গীতাপাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলিলে তোমরা স্বর্গের আরও নিকটবর্তী হইবে ।” ফুটবল খেলা অর্থাৎ নিয়মিত খেলাধূলা মন ও শরীরকে সতেজ ও সুস্থ রাখে একথা সবাই স্বীকার করে, খেলাধূলা আমাদের মনকে সতেজ করে শরীরকে সুস্থ রাখে । ছাত্রজীবনে অনাবিল আনন্দ দিতে পারে একমাত্র খেলাধূলা ।খেলাধূলার জন্য চাই সবুজ মাঠ । আর এই সবুজ মাঠের অভাব বর্তমানে খুবই প্রকঠ । অভাব থাকা সত্ত্বেও স্কুলে বা যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন যোগাসনের মধ্য দিয়ে শরীরচর্চা করানো একান্ত প্রয়োজন। সুস্থ শরীরের অধিকারীরাই পারে সুন্দর কিছু করতে ও লেখাপড়ায় আরও আগ্রহী হতে । প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে দৌড়ানো বা বিভিন্ন ধরনের খেলাধূলা করলে কেউ অল্প পরিশ্রমে ক্লান্ত হয়ে পড়ে না । এছাড়া মনে কোনো দুষ্টু বুদ্ধি বা কুচিন্তা বাসা বাঁধতে পারে না। এছাড়া বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ও মির্জানগর সমাজ কল্যাণ সমিতির সম্পাদক আলি আহমেদ মন্ডল, সিরাতের রাজ্য সভাপতি সেখ আবু তালেব, শিখ ধর্ম গুরু সুখনন্দ সিং আলুয়ালিয়া, স্কুলের প্রধান শিক্ষকা নাফিসা শামিম,পঞ্চায়েত সদস্য রবিউল ইসলাম, ইটিন্ডা ইউনিয়ন হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার সরকার, তেলিয়া ইকরা একাডেমির ডাইরেক্টর মিনাউল ইসলাম, থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ফারুক হোসেন,নবদিশার সভাপতি সফিকুল ইসলাম, আব্দুল হান্নান, সঞ্চালিকা ও শিশিক্ষা প্রিয়া রাহা প্রমুখ। এদিন শুরু পতাকা উত্তলন ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়। স্কুলের শিক্ষিকাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ছাত্র ছাত্রী দের ১০০,২০০ মিটার দৌড়, হাই জ্যাম্প, লং জ্যাম্প, বিস্কুট দৌড়, হাঁড়ি ভাঙা, যেমন খুশি তেমন সাজো। প্রত্যেক ইভেন্ট বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।