আলিয়া ইউনিভার্সিটি ভর্তি ফিস চার গুণ বৃদ্ধির প্রতিবাদে ডেপুটেশন

নিজস্ব প্রতিনিধি,পি এম নিউজ, কলকাতা: আলিয়া ইউনিভার্সিটির তিনটি ক্যাম্পাসের ছাত্র-ছাত্রী মিলে আজ রেজিস্টার কে ডেপুটেশন দেয়।

সম্প্রতি দেখা গিয়েছে ২০১৫-১৮ তিন বছরে বি.এ কোর্স করতে খরচ হত ২৬০০ টাকা কিন্তু এখন হটাৎ করে ৪ গুন বেড়ে ৮৮০০ টাকা হলো আলিয়া ইউনিভার্সিটি তে বেশিভাগ সংখ্যালঘু দরিদ্র ঘরের ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা করে কিন্তু তাদের পক্ষে এত বেশি ফেস দিয়ে ভর্তি হওয়া অনেকেরই সম্ভব হয় না আবার অনেকি মাঝপথে পড়াশোনা ছাড়তে হয় অর্থের অভাবে।

আলিয়া কর্তৃপক্ষের লাগামছাড়া ভর্তি ফিস বাড়ানোর প্রতিবাদে এদিন আলিয়ার ডেপুটি রেজিস্ট্রের কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র-ছাত্রীরা।

ছাত্র ছাত্রীদের দাবি মধ্যে উল্লেখযোগ্য, দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন জায়গা থেকে  আরবি হরফের ‘জামিয়া আলিয়া’ শব্দদ্বয় মুছে দেওয়া হচ্ছে কার ইন্ধনে ?

বিগত বছরে বি.এড এর প্রবেশিকা পরীক্ষার প্ৰশ্নপত্র তে ৬০ টি প্রশ্নের মধ্যে ১০ টি ইসলামিক প্রশ্ন ছিলো,কিন্তূ এই বছরে ১০০ টি প্রশ্নের মধ্যে মাত্র ৯ টি,শুধু বি.এড নয় সমস্ত বিভাগেই ইসলামিক প্রশ্নের সংখ্যা কমানো হয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষার ওয়েটেজ ৫০ শতাংশ হবার কারনে ইসলামীক প্রশ্নের  ওয়েটেজ  আরও  কমে যাচ্ছে ! ফলে  সংখ্যালঘু  ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির সুযোগ  সঙ্কীর্ণ হয়ে আসছে । আমরা  দাবী  করছি   দ্রুত  এই সিদ্ধান্ত  প্রত্যাহার করা  হোক।
আমরা এর কঠোরভাবে নিন্দা জানানোর পাশাপাশি কার ইন্ধনে এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে বা হয়েছে সেটা জানতে চাই।

আপনার কাছে আমাদের বিশেষ আবেদন এই যে,আপনি যত দ্রুত সম্ভব এই ভুল সংশোধনের ব্যবস্থা করুন এবং প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তি দিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষার লক্ষ্যে তিন ক্যাম্পাসের ছাত্র-ছাত্রীরা মিলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব !

পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি সাজিদুর রহমান বলেন, আলিয়া ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের লাগামছাড়া ফ্রিজ এর তীব্র নিন্দা জানাই।
সংখ্যালঘু উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্দেশ্যে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত কিন্তু বর্তমান আলিয়া কর্তৃপক্ষ ছাত্র দের সঙ্গে ব্যবসা করছে।
দ্রুত এর প্রতিকার না হলে আলিয়া কর্তৃপক্ষ আমাদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করবে।