এখনও আতঙ্কে সন্দেশখালির মানুষ, তবুও দেখা নেই বসিরহাটের সংসদ নুসরাত জাহানের

নিজস্ব সংবাদদাতা: আজ প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অশান্তির দাবানলে জ্বলছে সন্দেশখালির গোটা এলাকা। চারিদিকে রাজনৈতিক অশান্তি। যদিও কিছুটা শান্তি ফিরেছে এলাকায়। তবুও বিজেপি আরএসএস-এর বাড় বৃদ্ধি একটুও কমেনি ।

বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের সন্দেশখালির ন্যাজাট, রাজবাড়ি, সাই হাটি এলাকার বিভিন্ন গ্রাম এখন আতঙ্কে। তবুও সদ্য নির্বাচিত হওয়া বসিরহাটের সংসদ নুসরাত জাহান কে দেখতে পেল না এলাকার সাধারন মানুষ। ভোটের আগে যিনি বড় বড় ভাষণ দিয়ে বলেছিলেন আপনারা একটা ফোন করলেই আমি চলে আসবো। সেই অভিনেত্রী এবং সংসদ কে কঠিন পরিস্থিতিতেও ফোনে তো দূরের কথা বাড়িতেও পাওয়া যায় না। ফোন করলে বলছে ফোন সুইচ অফ।

তাইলে তিনি কি ভোটের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ভোট মিটতেই তা ভুলে গেলেন ? এই জন্য কি বসিরহাটের মানুষ দুহাত ভরে তাকে ভোট দিয়েছিল?
তবে আজকের এই করুন দুরবস্থার জন্য বসিরহাটের মানুষ অনেকটাই দায়ী, বসিরহাট এর আলেম ওলামা বুদ্ধিজীবী, শিক্ষিত মানুষরা ,এলাকার মানুষকে বার বার বোঝানোর চেষ্টা করেছিল তৃণমূলকে একটি ভোট নয়, বিজেপিকেও একটি ভোট নয় বরং তৃণমূল বিজেপির বাইরে গিয়ে অন্য কোন দলকে সমর্থন করুন, কিন্তু কে শোনে কার কথা।এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের কথা না শুনলে যা ফল হয় তা হচ্ছে এখন বসিরহাটের সন্দেশখালি এলাকার মানুষের !

অনেকেই মনে করেছিলেন বিজেপিকে আটকাতে তৃণমূল করতে হবে, বাঁচতে হলে তৃণমূল করতে হবে, কিন্তু কেউ কি বাঁচতে পারছে? চারিদিকে অশান্তি, অরাজকতা, নীরবতা বন্ধ চারিদিকের ঘরবাড়ি দোকানপাট। সবাই যেন আতঙ্কের একটা ছোঁয়ায় বন্দি হয়ে গেছে। কিন্তু দিদির নির্বাচিত সংসদ কোথায় ?

ভোট মিটটেই সংসদ গেলেন বিয়ে করতে ।এলাকার মানুষ যে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। চার চারটি তাজা প্রাণ নিস্তেজ হয়ে গেল ,হারিয়ে গেল, তবুও কোন খোঁজ নেই সংসদের।

বাহ এই নাকি জনগণের প্রতিনিধি কি অরাজকতার চলছে রাজ্যে ভাবতে যেন অবাক লাগে। তবুও কি মানুষের চেতনা ফিরবে, তবুও কি মানুষ ভাবতে শুরু করবে, নাকি এখনো অন্ধকারে ঘেরাটোপে বন্দি হয়ে থাকবে !সেটাই দেখার ব্যাপার!