তৃণমূলের কাইউমকে কুপিয়ে খুন করে বিজেপি, পাল্টা আক্রমণ তৃণমূলের

পিএম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের নির্বাচন পরবর্তি সংঘর্ষ শনিবার চরম আকার নিল।উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে এই সংঘর্ষে প্রথমে প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর, তারপর পাল্টা আক্রমণে নিহত তিন বিজেপি কর্মী। পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশাল বাহিনী নিয়ে পদস্থ পুলিশ কর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন।

অন্যদিকে, বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কে বিষয়টি জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপি রাজ্য সন্ত্রাস সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে চাইছে।

তৃণমূল একটি সূত্রের বক্তব্য, এদিন বিকেলে ন্যাজাটে তাদের বুথ স্তরের দলীয় বৈঠক ছিল। তারপরে একটি মিছিল বের হলে বিজেপি তার উপর হামলা চালায়। মিছিল এর পিছনে থাকা তৃণমূল কর্মী কাইয়ুম মোল্লাকে প্রথমে গুলি করা হয় পরে টেনে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে মারে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।
এর পরেই পাল্টা প্রতিরোধে নামে তৃণমূল। যার জেরে তিনজন বিজেপি কর্মী নিহত হন বলে অভিযোগ। দলীয় সূত্রে জানানো হয়, দলীয় বৈঠক চলাকালীন বিজেপি আক্রমণ চালায়।

বিজেপির অবশ্য দাবি তৃণমূল প্রথমে তাদের ওপরে হামলা চালায় যার জেরে দলের তিন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী শেখ সাজাহানের নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটেছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দলের তরফে প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে ‌।”

তৃণমূলের জেলা সভাপতির জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পাল্টা দাবি, “বিজেপি আমাদের কর্মীকে প্রথমে গুলি করে এবং পরে কুপিয়ে খুন করে।” দলের ৬ জন মহিলা কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মিনাখা বসিরহাট ও ইত্যাদি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে তিনি জানান। জ্যোতিপ্রিয়ের হুমকি, “এভাবে গায়ে হাত পড়লে আমরাও কিন্তু ছেড়ে কথা বলবো না।” অন্যদিকে সায়ন্তনের দাবি, তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের গুলিতে তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

সুত্র:এবিপি