ভাঙড়ে কাটমানির টাকায় অশ্লীল নাচগান ? শাস্তির দাবি এলাকার শিক্ষিত মানুষের

নিজস্ব সংবাদদাতা: দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যেখানে নির্দেশ ছিল বিজয় মিছিল নামে কোন উৎসব হবে না,সেই নির্দেশকে উপেক্ষা করে বিজয় মিছিলের আনন্দে উলঙ্গ নাচের আসর বসালেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা তথা শানপুকুর অঞ্চলের উপপ্রধান আনসার মোল্লা। যার মূল উদ্যোগের পান্ডা ছিলেন আরাবুল পুত্র হাকিবুল ইসলাম এর বন্ধু তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা শ্যামল মন্ডল। এই অশ্লীল অনুষ্ঠানে নাম জড়িয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য আবু সুফিয়ান ও।

যেখানে দলীয় নেত্রী বিজয়োৎসব নিষেধ করেছেন সেখানে অশ্লীল ও অসভ্য ব্লু ফিল্মের মত উলঙ্গ নাচ এক সাধারন গ্রাম এলাকায় মানুষের কাছে ঘৃণার পাত্র হয়ে উঠলেন এই তৃণমূল নেতারা।সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের বয়স্কদের প্রতিবাদ করতে দেখা যায়।তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় স্থানীয় কাশিপুর থানার পুলিশ। এবং ওই অশ্লিল অসভ্যতামি নাচ কে বন্ধ করে দেয়।

তারপরেও বেড়েছে জল্পনা। একসময় তৃণমূলের নামকরা নেতা ছিলেন প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য মীর তাহের আলি, জেলা পরিষদ থাকাকালীন এইরকম অসভ্য অশ্লীল নাচ গানের অনুষ্ঠান করাই দল থেকে বহিষ্কার করা হয় তাকে। শুধু তাই নয় জেলা পরিষদ পদ থেকে তাকে খারিজ করে ও দেওয়া হয়। যদিও সে এখন বিজেপিতে নাম লিখিয়েছে।

এই সূত্র ধরে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন তখন যদি মির তাহের আলিকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় ।এবং তার শাস্তি স্বরূপ জেলা পরিষদ পদ থেকে তাকে খারিজ করা হয় তাহলে কেন এই উপপ্রধান ,পঞ্চায়েত সদস্য ও যুবনেতাদের শাস্তি হচ্ছে না ? কেন দল থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে না ?যদিও আরাবুল ইসলাম তাদেরকে ভৎসনা করেছে কিন্তু তাদের শাস্তি কিছু হলো না।

সুত্রের খবর এই অশ্লীল ও ব্লু ফিল্মের নায়িকার ভাড়া করতে প্রায় লক্ষাধিক টাকা লেগেছে।বিরোধিরা প্রশ্ন করে বলছেন, তাহলে কি এই টাকা কাটমানি থেকে এসেছে ? না হলে টাকা পেল কোথায় তৃণমূল নেতারা ?

তবে ভাঙ্গড়ের সর্বস্তরের মানুষ বিশেষ করে শিক্ষিত মহল , এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত সমস্ত ব্যক্তির শাস্তি চেয়েছেন।