স্পর্শ করা লক্ষীর সফলতার গল্প

পি.এম.নিউজ;ডিজিটাল ডেস্ক:মেয়ের নাম লক্ষ্যী,হাবরা র এক প্রত্যন্ত গ্রাম,বামিহাটি তে বড় হওয়া।অত্যন্ত দরিদ্র ঘরের মেয়ে।বাবা ভ্যান চালক।মা হাঁস মুরগির ডিম বেঁচে সংসার চালান।সেই মা ই লক্ষী কে সকল কাজে উৎসাহ দেন।

পাড়াগাঁর মানুষ কত কটু কথা বলে,মেয়ে পাহাড়ে চড়ে বলে।বিয়ের বয়স ও পেরিয়ে গেল।কিন্তু মা তথাকথিত শিক্ষিত না হয়েও লক্ষীর পাশে সবসময় থেকেছেন। লক্ষী, স্কুল এ N C C বিভাগ থেকে প্রথম পাহাড়ে ওঠার সুযোগ পায়।

তারপর ওর জীবনের একমাত্র ভালোবাসা,স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায় পাহাড়ে ওঠা।কিন্তু টাকা নেই।স্পন্সর নেই।তবু ওর জেদ ওকে সব বাঁধা পেরিয়ে এগিয়ে নিয়ে যায়।পাহাড়ে ওঠার মত ব্যাগ নেই,জুতো নেই।তবু থামে নি লক্ষী।স্কুল এর ব্যাগ নিয়েই বেরিয়ে পড়েছে।

অবশেষে, একের পর এক পাহাড়ে ওঠার পর,সরকারি সাহায্যে ওঠে উত্তরাখণ্ডের মেনথসা পর্বত চূড়ায়।সেই লক্ষী-ই আজ দ্বিতীয় বাঙালি মেয়ে, যে ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বত Elburj জয় করলো।